দেশে পর্যাপ্ত লবণ মজুদ রয়েছে : বিসিক

বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত লবণ মজুদ রয়েছে। মজুদকৃত লবণ দিয়েই আসন্ন ঈদুল আযহায় কোরবানির পশুর চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণসহ আগামী ১০ মাস লবণের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই কথা জানায়।
এতে বলা হয়েছে, গত মওসুমের উদ্বৃত্ত পুরানো লবণসহ সদ্য সমাপ্ত লবণ মওসুমে উৎপাদিত নতুন লবণসহ দেশে বর্তমানে লবণের মজুদের পরিমাণ হচ্ছে ২০ লাখ ৩ হাজার টন। প্রতিবছর নভেম্বর মাসে লবণ উৎপাদনের মওসুম শুরু হয়ে থাকে। সে হিসেবে নতুন লবণ মওসুম শুরু হওয়ার আর মাত্র ৫-৬ মাস বাকি। এরপর থেকেই আবারও বাজারে নতুন লবণ আসতে শুরু করবে।
বিসিকের শিল্প উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ বিভাগ এবং কক্সবাজারে অবস্থিত বিসিক লবণ শিল্প উন্নয়ন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশে ভোজ্য ও শিল্প লবণের মোট চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৮ লাখ ৪৯ হাজার টন। এর মধ্যে সদ্য সমাপ্ত মওসুমে মোট ১৫ লাখ ৭০ হাজার টন ক্রুড লবণ উৎপাদিত হয়েছে। এছাড়া বিগত মওসুমের উদ্বৃত্ত লবণ ছিল ৪ লাখ ৩৩ হাজার টন । সব মিলিয়ে মোট জাতীয় চাহিদার বিপরীতে দেশে লবণের মোট মজুদ ২০ লাখ ৩ হাজার টন। যা দেশের মোট চাহিদা চেয়ে প্রায় ১ দশমিক ৫০ লাখ টন বেশি। এর মধ্যে চলতি অর্থ বছরের মে মাস পর্যন্ত চাহিদা মিটিয়ে ১ জুন, ২০২০ লবণ মাঠ ও মিল পর্যায়ে লবণের মোট মজুদের পরিমাণ ১৩ লাখ ৬৮ হাজার টন। এছাড়া দেশের সব জেলার ডিলার, পাইকারী ও খুরচা বিক্রেতা পর্যায়ে আয়োডিনযুক্ত ভোজ্য লবণ মজুদ রয়েছে। তাই চলতি বছরের নভেম্বরে নতুন মওসুমের লবণ বাজারে আসবে বিধায় বর্তমান মজুদ দিয়ে শিল্প ও ভোজ্য লবণের জাতীয় চাহিদা মিটিয়েও উদ্বৃত্ত লবণ থাকবে। ফলে এ বছর লবণ আমদানির কোনো প্রয়োজন হবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।